আজকাল DSLR ক্যামেরা অনেক বেশী সহজলভ্য হয়ে গেছে। ইদানীং সবার মধ্যে
ফটোগ্রাফির শখটাও অনেক বেশী। কেউ আবার নিয়মিত ফটোগ্রাফি না করলেও শখের বসে
একটা ভাল ক্যামেরা রাখতে চায়। বাংলাদেশেও নামী-দামী সব ব্য্রান্ডের DSLR
পাওয়া যায় আজকাল। ফেসবুকের নিউজফিড চেক করলেই বোঝা যায় আমাদের দেশে উঠতি
ফটোগ্রাফারের সংখ্যা নেহায়েত কম না আর তাছাড়া ওয়েডিং ফটোগ্রাফি এখন
অনেক বেশী লাভজনক। নিয়মিত এক্সিবিশন আর প্রতিযোগিতাও হচ্ছে আজকাল। এই
রিভিউটি মুলত উঠতি ফটোগ্রাফারদের জন্য যারা নতুন শুরু করতে চান তবে কোন
ক্যামেরা টি আপনার জন্যে ভালো হবে তা নিয়া সিদ্ধান্ত নিতে পারসেন না তাদের
জন্যে।
DSLR ক্যামেরা সম্পর্কে বিস্তারিত পরতে!
প্রফেশনাল ক্যামেরা কেনার ক্ষেত্রে মুলত কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয় যেমন
কত মেগাপিক্সেল,কামেরার দাম ,কেনার সময় কোন লেন্সটি সাথে আছে এবং
অন্যান্য লেন্সের দামগুলো কেমন হতে পারে, ইমেজ সেন্সর কত বড়, ISO রেঞ্জ
কিরকম, স্পিড কেমন, ইউজার ইন্টারফেস এবং পেছনের LCD ডিসপ্লেটি কেমন, মেমরী
কার্ড এর কোনটি লাগানো যায়, হালকা না ভারী, ব্যাটারীর লাইফ, শাটার স্পিড,
কম আলোতে ছবি কেমন উঠে, ভিডিও করা যায় কিনা ইত্যাদি। নীচের ক্যামেরাগুলো
মুলত এই সব ফিচারগুলো নিয়েই তৈরী করা হয়েছে আর বাংলাদেশের মার্কেটে বিশেষ
করে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে সহজলভ্য।
প্রায় ৫০,০০০ টাকা মুল্যের এই ক্যামেরাটি বের হবার পর থেকে বলা যায় Nikon
এর অনেক নামী-দামী মডেলগুলোর বিক্রি কমিয়ে দিয়েছে এই ক্যামেরা। দামে
সস্তা হবার কারনে এই ক্যামেরাটি যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফটোগ্রাফারদের
কাছে। এটি Canon 550D এর আপগ্রেড। আর এই ক্যামেরার ভিডিও কোয়ালিটিও যথেষ্ট
ভাল। আপনিও ট্রাই করে দেখতে পারেন!
নিকন D3100/ D3200 :৩৫,০০০-৪৫০০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যায় এই ক্যামেরা
দুটি আর ফিচার যথেষ্ট ভাল।এর মধ্যে Nikon D3200 ক্যামেরা টি ২৪.২ মেগা
পিস্কেলের। এই ক্যামেরাটি নিজে থেকেই ইমেজ ক্রপ করে ফেলে ছবির কম্পোজিশন
আরও ভাল করার জন্য। এই ক্যামেরায় আছে Guide Mode যার কাজ হলো যে লোক জীবনে
প্রফেশনাল ক্যামেরা ব্যবহার করেনি, তাকেও দেখিয়ে দিবে কিভাবে কি করতে
হয়। অন্য ভাষায় বলা যায় – Easy Mode।
১৬.১ মেগা পিক্সেলের এই ক্যামেরাটিতে আছে 15 Point Auto Focus আর অন্যান্য
DSLR এ যা থাকে তার সবকিছু। সনির ইউজার ইন্টারফেস অনেক ভাল বিশেষ করে যারা
নতুন করে ফটোগ্রাফি শিখতে চান। কিন্তু আমাদের দেশে সনির ক্যামেরাগুলো খুব
একটা সহজলভ্য না বিশেষ করে, ক্যামেরার বডি পাওয়া গেলেও লেন্স পাওয়া অনেক
বেশী দুস্কর। তাই প্রায় সময় কিট লেন্স হিসেবে যেটা পাওয়া যায় তাই হয়
একমাত্র ভরসা। মুল্য ৪০,০০০ – ৪৭,০০০ টাকার মধ্যে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন